KGR কীওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে কিছু দ্বিমত রিভিউ

যদি আপনি, কিওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে স্টাডি করতে থাকেন তবে, KGR কীওয়ার্ড রিসার্চ নামক, খুব সহজে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার ফর্মুলা কথা হয়ত শুনে ফেলছেন।

আজ, কেজিআর নিয়ে আলোচনা করবো।

কেজিআর নিয়ে অনেকের অনেক রকম মতামত আছে, আমার মতামত টা আজ শেয়ার করবো।

( অবশ্যই মনে রাখবেন, রিসার্চ হলো এইও মেইন বিষয়, কারন কোয়ালিটি কনটেন্ট দিয়ে অথরিটি সাইটের সাথে লড়তে পারবেন না, আবার বাজে কন্টেন্ট দিয়ে ফাকা মাঠে গোল দিতে পারবেন, তাই রিসার্চ সেকশনে যতদিন মোটামুটি এক্সপার্ট না হবেন ততদিন, সাইট তৈরি করবেন না)

KGR কীওয়ার্ড রিসার্চ কি. বিস্তারিত আলোচনা

পর্ব_৯ তে আমি যে কিওয়ার্ড রিসার্চের ফরমুলা শেয়ার করেছিলাম, ঐ ফরমুলায় রিসার্চ করলে, কেজিআরের থেকে ও ভাল কিওয়ার্ড পাবেন।।

তবে ছোট্ট করে কেজিআর কি সেটা বলে ফেলি, যারা কেজিআরের বিষয় জানেন না। কে.জি.আর এর ফুল অর্থ হলো, কিওয়ার্ড গোল্ডেন রেসিও!

কেজিআর কিওয়ার্ডের ফমূলা হলো :

১. কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিউম অবশ্যই, ২৫০ এর মধ্যে হতে হবে।

২. allintitle : ” কিওয়ার্ড ” গুগলে সার্চ করার পর, সার্চ বারের নিচে, যে রেজাল্ট এর সংখ্যা আসবে, ঐ সংখ্যা কে, সার্চ ভলিউম দিয়ে ভাগ দিতে হবে।

৩. ভাগফল যদি ০.২৫ এর নিচে থাকে তাহলে কিওয়ার্ড টি কেজিআর কিওয়ার্ড।

এখানে, অলইন টাইটেল করলে যে রেজাল্ট সংখ্যা টা দেখতে পাবেন ওটা হলো, কতটা পেজের টাইটেলে, ঐ কিওয়ার্ড টা বসানো আছে, অথ্যাৎ ধরে নেয়া হচ্ছে, যত গুলা রেজাল্ট সংখ্যা আসছে, ঐ পেজ গুলা আপনার কম্পিটিটর,

আর যখন ঐ কম্পিটিটর সংখ্যা দিয়ে ২৫০ এর কম সার্চ ভলিউম কিওয়ার্ডের, সার্চ ভলিউম দিয়ে ভাগ করা হবে তখন যদি ভাগফল ০.২৫ এর নিচে হয়, এর মানে হলো ঐ কিওয়ার্ড এর জন্য বেশি প্রতিযগি নেই, আপনি ঐ কিওয়ার্ডে সহজে রাংক করাতে পারবেন।

বিষয়, সত্যি অনেক সহজ ও মজার একটা শর্টকাট ফরমুলা। যদি ও একদম নতুন রা এটি ট্রায় করতে পারেন।

তবে, আমার কিচু দ্বিমত আছে।

অনেকে বলতে পারে, এত ছোট মানুষ Doug Cunnington এর মত ফেমাস ও এক্সপার্ট ডিজিটাল মার্কেটার এর রিসার্চ করে বের করা ফরমুলার বিরুদ্ধে কথা বলছি। আমি কিজিআরের বিরুদ্ধে পুরপুরি দ্বিমত তা নয়।

তবে, এনাসাইসিস করে, যে লিমিটিশন গুলা পেয়েছি, তা আলোচনা করবো।।

কেজিআর নিয়ে আমার ৩ টা দ্বিমত আছে।

১. সার্চ ভলিউম এর লিমিট ২৫০, তবে আমি আপনাকে নতুন অবস্থায় হাই সার্চ ভলিউম নিয়ে কাজ করতে বলছি তা নয়।

কিচু কিচু সময় ২৫০ এর বেশি সার্চ ভলিউম কিওয়ার্ড লো কম্পিটিশন হয়, ( কিভাবে লো কম্পিটিশন কিওয়ার্ড বের করতে হয় তা আগের পর্বে ই আলোচানা করেছি, অনেক সুন্দরভাবে)

২. শুধু অলইন টাইটেল সংখ্যা হিসাব করে, কম্পিটিশন এনালাইসিস করা হয়। যেখানে, এমন ও হয় যে, আপনার রিসার্চ করা কিওয়ার্ড টি, একটি ওয়েব ২ বা শোস্যাল পেজের টাইটেলে থাকতে পারে, তাদের কে কি আপনি কম্পিটিটর ভাববেন? তাছাড়া, একটা কিওয়ার্ড পিক করতে গেলে, অনেক দিক বিবেচনা করতে হয়। যা আমি আগের পোষ্টে আলোচনা করেছি।

৩. অনেক সময় দেখা যায়, একটা কিওয়ার্ড কেজিআর ফরমুলাতে পড়ে, কিন্ত ফাষ্ট পেজে যারা আছে, তাদের টাইটেলে ঐ কিওয়ার্ড টি না থাকলেও, যারা রাংকে আছে তারা হাই অথরিটি সাইট, যাদের কে টপকানো নিউবি হিসাবে পসিবল না। তাই যদি আপনি কেজিআর ফরমুলায় রিসার্চ করেন, এই বিষয় টি মাথায় রাখবে, অথোরিটিদের থেকে দুরে থাকবেন।

আমি আপনাকে, কেজিআর নিয়ে কাজ করতে নিষেধ করছি তা নয়। তবে এই বিষয় গুলা, মাথায় রাখবেন। আর, আপনি আমার আগের পোষ্টের অনুসারে যদি রিসার্চ করেন, দেখবেন আপনার ম্যাক্সিম্যাম কিওয়ার্ড গুলো, কেজিআর ফরমুলায় চলে, আসছে।

তাছাড়া, অনেক বেশি সার্চ ভলিউম ও পেয়ে যাবেন কিচু কিচু। আপনার মতামত, জানাতে ভুলবেন না, নতুন হয়ে থাকলে আগের পর্ব গুলা পড়ার আমন্ত্রন রইলো। পোষ্টি শেয়ার করতে পারেন, বা আগ্রহিদের মেনশন করতে পারেন, ধন্যবাদ। ( পরবর্তি পোষ্টে কনটেন্ট রাইটিং ব্যাসিক, বিষয় আলোচনা করবো সাথে থাকবেন)

Leave a Comment