আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? A-Z ধারনা

পোষ্টিতে যা যা পাবেন।

  1. আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি।
  2. কিভাবে এফিলিয়েট সেল হয়।
  3. কিভাবে এফিলিয়েট করা যায়।
  4. কি শিখতে হবে।
  5. কেমন ইনকাম করা যায়।
  6. কেন ইনভেষ্ট ছাড়া, এফিলিয়েট শুরু করবেন।
  7. ইত্যাদি আরো, আমাজন এফিলিয়েট কি জানতে হলে প্রথমে আমাদের জানতে হবে

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

ধরুন আপনি একজন রাইটার, আপনি একটি বই লিখে আপনার ই-কমার্স ওয়েব সাইটে পাবলিষ্ট করেছেন বিক্রির জন্য।।সেখান থেকে অনলাইনে ১০০ বই সেল হল।আপনি চাচ্ছেন, বইটি আরো সেল হোক, কিন্ত আপনার একার পক্ষে সম্ভাব না।আপনি মার্কেটার দের অফার করলেন, বইটি যারা সেল করে দিবে, প্রতি সেলের জন্য ২০% কমিশন দেয়া হবে।এখন কেও যদি ২০% কমিশনের জন্য, আপনার বইটি সেল করে দেয়, সে আপনার সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করছে।।ঠিক আমাজনের পন্য গুলি যদি আপনি সেল করেন, তবে আপনি আমাজনের সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করছেন।

কিন্তু আপনি আমাজনের প্রডাক্ট সেল করছেন সেটা আমাজন কিভাবে বুঝবে?

আমাজন এফিলিয়েট করার জন্য আমাজনে, আপনাকে এফিলিয়েট একাউন্ট খুলতে হবে, তারপর আপনি, আপনার এফিলিয়েট একাউন্টের মাধ্যমে, প্রডাক্ট এর লিংক জেনারেট করে, ওয়েবসাইট কিংবা শোসাল মিডিয়া তে, আপনার সম্ভাব্য ক্রেতাদের টার্গেট করে, প্রডাক্টের গুনাগুল বর্ণনা করে, আপনার জেনারেট করা প্রডাক্টের লিংকটি দিয়ে দিবেন।আপনার লিংকের থ্রুতে যেয়ে যদি কোন কাষ্টমার পন্যটি ক্রয় করে, তবে আপনার এফিলিয়েট এক্টাউন্টে নিদিষ্ট পরিমান কমিশন জমা হবে।।

আমাজন এফিলিয়েট কিভাবে শুরু করা যাই, কি কি প্রয়জন?

আমাজন এফিলিয়েট ২ ভাবে করা যায়,

  1. শোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।
  2. ওয়েব সাইটের মাধ্যমে।

শোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এফিলিয়েট করার জন্য আমাজনে আলাদা প্রগ্রাম আছে, যেটাকে আমাজন ইনফ্লুয়েন্সার বলে।যেটার মাধ্যমে, টুইটটার, ফেসবুক, ইউটিব বা ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা চ্যানেলের মাধ্যমে মনিটাইজ করে, পন্য সেল করতে পারবেন।।সেক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিও মার্কেটিং থেকে সেল বেশি আসে।এবং অনেক নির্ভর যোগ্য।তাছাড়া, আপনি শোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এক্সপার্ট হলে, অন্যান্য শোস্যাল মিডিয়া থেকে, সেল আনতে পারবেন খুব সহজে।।

২য়, অপশান ওয়েবসাইট:

  • অলরেডি ভিজিটর থাকে, আপনার ওবেবসাইটে কি অরেডি ভিজিটার থাকবে?
  • আপনি কিভাবে ভিজিটর এনে সেল করবেন?
  • কেন ভিজিট করবে?
  • কারা আসবে আপনার ওয়েব সাইটে??

আচ্ছা, ধরুন আপনি কাল একটি নতুন মডেলের মোবাইল কিনবেন।আপনি এখন কি করবেন?

আপনি কি শোরুমে যেয়ে গুনাগুন দেখবেন?না, আপনি এখনই মোবাইলের মডেলের রিভিউ লিখে সার্চ করবেন । কারন, আপনার কাছে এখন হয়ত একটি মোবাইল বা কম্পিউটার সাথে ইন্টারনেট, আছে।।এবং আপনি যদি, ইউরোপ বা আমেরিকান হতেন।মোবাইলের গুনাগুন পছন্দ হলে, এখনই অনলাইলে অর্ডার করে দিতেন। আপনার বাসায় পরদিন বা নিদিষ্ট সময় পৌঁছে দিত।

যদিও বাংলাদেশিরা ও এখন অনলাইনে পন্য কিনে। আসল কথায় আসি । আপনি যখন একটি মোবাইলের রিভিউ লিখে গুগলে সার্চ করছেন । কোন ওয়েব সাইটের নিদিষ্ট পেজ কে, ফাষ্ট পেজে দেখতে পাচ্ছেন । দেখেন প্রথম থেকে ১০ টা পেজ ফাষ্ট পেজে দেখতে পাচ্ছেন, এখানে যে ১০ রেজাল্ট আছে সবগুলা পেজে ই আপনি যে মডেলের রিভিউ খুজতেছেন তা রয়েছে ।

  • তাহলে যে একদম প্রথমে আছে, তার সাথে কি গুগলের ভাল সম্পর্ক আছে বলে প্রথমে রাখছে?
  • বা, সেকি গুগল কে টাকা দিয়ে সামনে আছে?আপনার, কি ধারনা?

তবে হ্যা গুগলকে টাকা পে করে ও সামনে রেজাল্টে থাকা যায়, তবে সেটা ক্ষণস্থায়ি, ও অনেক ব্যায়বহুল। এবং সে রেজাল্ট গুলতে গুগল বলে দেয়, এটি গুগলের এড।। যাইহোক, নিদিষ্ট কিচু লিখে গুগলে সার্চ করলে গুগলে যাদের প্রথমে দেখায়, তাদের সাথে গুগলের কোন ভাল সম্পর্ক নেই । তবে প্রথমে থাকার জন্য তারা, গুগলের কিচু নিয়ম ফলো করে, এবং ঐ মোবাইল সম্পর্কে সার্চের জন্য সবথেকে নির্ভরযগ্য ডাটা, ওয়েব সাইটে রাখে।

যার ফলে গুগল তাকে প্রথমে রাখে। একে মার্কেটিং এর ভাষায় ( এস. ই. ও) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলে

তাহলে আপনি হয়ত এতক্ষনে বুঝে গেছেন আপনাকে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে, আমাজনের পন্য সেল করতে হলে, যে পন্যটি সেল করবেন, ঐ পন্যটির সার্চ শব্দে (এক কথায় কিওয়ার্ড বলে) গুগলের প্রথমে থাকার জন্য এস. ই. ও করতে হবে।

তাহলে আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিটর আসবে এবং সেল পাবেন।।পরবর্তী পোষ্ট গুলাতে ধারাবাহিক ভাবে বিস্তারিত পাবেন।

আমাজন এফিলিয়েট করে কেমন ইনকাম করতে পারবেন?

আমাজন এফিলিয়েট কে আপনি অনলাইন বিজনেস হিসাবে ধরতে পারবেন। এখন আপনাকে যতি প্রশ্ন করা হয়, আপনি একটি জুতোর বিজনেস করে কেমন ইনকাম করতে পারবেন? অবশ্যই আপনার উত্তর হবে, আপানি যত বেশি মার্কেটিং করে সেল করতে পারবেন তত বেশি ইনকাম হবে, যার কোন লিমিট নেই।

ঠিক, তেমনই এখানে যত বেশি সেল করতে পারবেন তত বেশি ইনকাম হবে।

সেল করা কি আমার জন্য অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে?

আপনি হয়ত ভাবছেন, সেল করলে ইনকাম না করলে ইনকাম নেই ।ত াহলে এটি অনেক কষ্টকর ব্যাপার । হ্যা, এটি অনেক কষ্টকর ব্যাপার, তবে যদি আপনি এস.ই.ও বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখে ফেলতে পারেন, তবেএটি আপনার জন্য অনেক সহজ ও ইনকামের কোন লিমিট নাই।।বাংলাদেশের অনেক মানুষ আমজন এফিলিয়েট করে মাসে ১০০০০-১০০,০০০ বেশি ইনকাম করতেছে।

কেন আপনি আমাজন এফিলিেট মার্কেটিং এ আসবেন?

আমাজন এফিলিয়েট কে, একটি প্যাসিভ ইনকাম সোর্স বলা হয়, কারন। আপনি যদি, শোস্যাল মিডিয়াতে পেজ, ফলোয়ার বা চ্যানেল বিল্ডআপ করতে পারেন। অথবা,এস.ই.ও করে গুগলের আপনার ওয়েবসাইটকে গুগলের প্রথমে আনতে পারেন, তবে আপনাকে আর কষ্ট করতে হবেনা, অটোমেটিক সেল আসতে থাকবে। তখন আপনার দিনে এক ঘন্টা ও টাইম দেয়া লাগবেনা । বা, আপনি ইচ্ছা হলে কাজ করবেন না হলে করবেন না । কিন্তু সেল আসতে থাকবে ।

আমাজন এফিলিয়েট শিখতে কত সময় লাগবে বা কতদিন পর থেকে ইনকাম করতে পারবেন?

এটি আমার পক্ষে বলা সম্ভাব না তবে এটি নির্ভর করবে আপনার, ধৈয্য ও শেখার ইচ্ছার উপর । মার্কেটিং এমন একটি বিষয় যা সম্পুন্ন বোঝা ও বিভিন্ন বিষয় প্রয়গ করার উপর । এখানে টেকনিকাল জ্ঞানের থেকে । মার্কেটিং জ্ঞানের গুরুত্ব অনেক বেশি । আপাকে প্রথমে বুঝতে হবে, মার্কেটিং কি এসইও কি.অনেক পড়াশুনা করতে হবে আপনাকে । আপনি যতি পড়াশুনা করে বুঝতে পারেন। তাহলে ৫০% আপনার শেখা হয়ে যাবে। আর ২৫% আপনাকে প্রাকটিক্যাল জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আর ২৫% আপনাকে এপ্লাই করে, বিভিন্ন ব্যার্থতা ও বাধার ম্যাধমে শিখতে পারবেন ।

মনে রাখবেন, ব্যার্থ না হলে আপনি কখনও মার্কেটিং শিখতে পারবেন না । ব্যার্থ হবেন বলে আপনি ব্যার্থ তা নয় । ব্যার্থ হবেন আপনি তখন ই, যখন ঐ ব্যার্থ থেকে কিচু শিখতে পারবেন না । মার্কেটিং এর কোন নিদিষ্ট নিয়ম নেই, আপনিও একসময় কোন নিয়ম আবিষ্কার করে ফেলতে পারবেন ।

তবে, প্রথমে আপনাকে, বেসিক বিষয় গুলা শিক্ষতে হবে । তার জন্য ধারাবাহিক আমার পোষ্টগুলা ফলো করতে পারেন । এবং আপার যে বন্ধু অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহি তাকে শেয়ার করতে পারেন।

আমাজন এফিলিয়েট করতে আপনার কত খরচ বা ইনভেষ্ট করতে হবে?

আপনি হয়ত শুনে থাকবেন, আমাজন এফিলিয়েট বা এস.ই.ও করতে ইনভেষ্ট করা লাগে । হ্যা ইনভেষ্ট করতে হবে, তবে আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন, আপনাকে কখনও ইনভেষ্ট করতে সাজেশন করবো না । কিভাবে জিরো ইনভেষ্টে আমাজন এফিলিয়েট করবেন।আমার টার্গেট সেটাই।আপনি তখন ই ইনভেষ্ট করবেন যখন আপনার সময়ের অনেক মূল্য থাকবে । যখন আপনি মাসে মিনিমাম $৫০০ ইনকাম করতে পারবেন । আমি আপনাকে সাজেষ্ট করতো মার্কেটিং এর প্রতিটা বিষয় শিখতে যাতে আপনার কোন ইনভেষ্ট না করা লাগে,প্রতিটা কাজ আপনি নিজে করতে পারবেন ।

তার জন্য আপনাকে ছোট্ট একটা কাজ করতে হবে । আমাদের পেজে লাইক দিয়ে পরবর্তি পোষ্টের, অপেক্ষায় থাকবেন । এবং এই পোষ্ট টি শেয়ার করবেন।এবং আমাদের কমিউনিটি বড় করার জন্য আমাদের গ্রুফে, আপার সেই বন্ধুকে এড দিবেন যে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে চায় । পোষ্টি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

Leave a Comment